এড কেইস ও রিচার্ড ম্যাকরমিক / ফাইল ছবি
ঢাকাঃ ঢাকা সফররত ডেমোক্র্যাট পার্টির কংগ্রেস সদস্য এড কেইস ও জর্জিয়া থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান পার্টির কংগ্রেস সদস্য রিচার্ড ম্যাকরমিক নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
কংগ্রেস সদস্যরা বাংলাদেশে আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছিল কিনা, তা জানতে চেয়েছেন। পাশাপাশি নির্বাচনের পরিবেশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতাসহ মানবাধিকার ইস্যু ছিল আলোচনার টেবিলে।
রোববার (১৩ আগস্ট) কংগ্রেস সদস্যরা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের গুলশানের বাসায় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
বৈঠকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্য সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান, আর্টিকেল ১৯-এর আঞ্চলিক পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) ফারুক ফয়সাল, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মানবাধিকারকর্মী ও নারীপক্ষের সম্পাদক শিরীন হক, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন, সাংবাদিক জিল্লুর রহমান এবং দৃকের শহিদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছে। এটা আসলে সেই অর্থে বৈঠক নয়, চা চক্র বলতে পারেন। আগামী নির্বাচনের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছে তারা। নির্বাচন ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার কোনো সুযোগ আছে কিনা তা জানতে চেয়েছে। তবে তারা কোনো মন্তব্য করেননি, তারা শুধু শুনেছেন।
আর্টিকেল ১৯-এর আঞ্চলিক পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) ফারুক ফয়সাল বলেন, গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে কি করা দরকার, সে বিষয়টি উঠে এসেছে। নির্বাচন প্রসঙ্গ ছিল। তারা জানতে চেয়েছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আগে ছিল কিনা? আমরা বলেছি, আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল, এখন নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমরা বলেছি, সেটা রাজনৈতিক দলগুলো বলতে পারবে। তবে তারা কোনো মন্তব্য করেননি।
দৃকের শহিদুল আলম বলেন, ঘরোয়া আলাপ ছিল। ব্যক্তিগত জায়গা থেকে অনেক কথা হয়েছে। আমাকে যে আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেটা তুলেছি। আমি যে এখনও ভুগছি, সেটা নিয়ে আলাপ হয়েছে।
এমআইসি