1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

কিছু পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য থানা আ.লীগ নেতাদের মতো: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: আগস্ট ২০, ২০২৩, ০৩:৩৪ পিএম কিছু পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য থানা আ.লীগ নেতাদের মতো: রিজভী

ঢাকাঃ উচ্চপর্যায়ের পুলিশের কিছু কর্মকর্তাদের বক্তব্য থানা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদকের মতো বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। 

তিনি বলেন, গতকাল (শনিবার) উচ্চপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে একজন কর্মকর্তার বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। তার বক্তব্য শোনার পর মনে হয়েছে তিনি কী আসলেই পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা? নাকি মোহাম্মদপুর কিংবা শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক! আমি এটার কোনো পার্থক্য করতে পারিনি। 

রোববার (২০ আগস্ট) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তাঁতীদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে সংগঠনের যুগ্ম-আহ্বায়ক রেজাউল করিম রানার মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে রিজভী বলেন, জনগণের টাকায় তাদের বেতন দেওয়া হয়। তারা জনগণের টাকায় সব সুযোগ-সুবিধা পায়। অথচ তারা আওয়ামী লীগের দলীয় ক্যাডার হিসেবে কাজ করছে। 

‘দলীয় প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়’— সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের এ বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তিনি (বদিউল আলম মজুমদার) বিএনপির কোনো নেতা নন। যখন পুলিশ কর্মকর্তারা আওয়ামী লীগ নেতা হাসান মাহমুদের ভাষায় কথা বলেন, যখন যুবলীগ-ছাত্রলীগের ভাষায় কথা বলেন, তখন বোঝা যায় আগামী নির্বাচন কী ভয়ংকর নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে যেতে পারবে না, ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে পারবে না, বিরোধী দল অংশগ্রহণ তো দূরের কথা প্রতিযোগিতাও করতে পারবে না। ওই নির্বাচন হবে একতরফা এবং আরও একটি অভিনব নীল নকশার নির্বাচন। সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আলামত হচ্ছে গতকাল ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের দলীয় বক্তব্য। 

এই বিএনপি নেতা বলেন, জুয়াড়ি-ক্যাসিনোর মালিকরা তো আজকে কারাগারে নেই। যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করেছে, বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করেছে... তারা কেন কারাগারে নেই? কেন আবরার হত্যার বিচার হয় না? কিন্তু প্রতিদিন বিএনপির নেতাদের কারাগারে নেওয়া হচ্ছে। কেন বিএনপি নেতা তানভীর আহমেদ রবিনকে ধাওয়া করে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হলো। প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে বিএনপির সভা-সমাবেশে প্রশাসনের ছায়ায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতারা হামলা চালায়, কেন তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয় না? 

রিজভী বলেন, গোটা বিশ্ব থেকে আওয়ামী লীগ সরকার বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কেউ নাই। হয়তো দু-একটা দেশ থাকতে পারে। সেখানে তারা খুব হাত-পা ধরছেন, কাকুতি-মিনতি করছেন। ক্ষমতায় যেন তাদের রাখা হয়। এরকমই শোনা যায়। আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী মন্ত্রী, উনি কলকাতার সাংবাদিকদের নাকি ২ টন ইলিশ মাছ পাঠিয়েছেন। আমরা জানি না এই ঘটনা কতটুকু সত্য। এরকম জনশ্রুতি আছে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ। সঞ্চালনা করেন তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান। 

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমসহ আরও অনেকে।

বুইউ

আগামী নিউজ এর সংবাদ সবার আগে পেতে Follow Or Like করুন আগামী নিউজ এর ফেইসবুক পেজ এ , আগামী নিউজ এর টুইটার এবং সাবস্ক্রাইব করুন আগামী নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে
Small Banner