রবিবার (১৮জুলাই) সকাল নয়টায় নাটোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের কাছে স্বাস্থ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
আমরা সবাই মিলে করোনাকালীন এই দুর্যোগে পাড়ি দেবোই এই আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন আমরা সবাই একে অপরকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেব। যার যা কিছু সামর্থ্য আছে সবকিছু উজাড় করে দিয়ে এ দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।
এ সময় তিনি জেলা পুলিশের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন জেলা পুলিশ ইতিমধ্যেই অক্সিজেন ব্যাংক গড়ে তুলেছে তা নাটোরের করোনা রোগীদের জন্য এক মাইলফলক। এই অক্সিজেন হাসপাতালেও ব্যবহার করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন এ অক্সিজেন স্বল্পতায় যেকোনো পরিস্থিতিতে আমি কাজ করতে আগ্রহী।
এ সময় তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সামগ্রী সহ অন্যান্য বিষয়ের চাহিদা আহ্বান করেন।
প্রতিমন্ত্রী পলকের কাছে জেলা প্রশাসক মোঃ শামীম আহমেদ নাটোরে একটি করোনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপনের আবেদন জানান এছাড়া অক্সিজেন রিফিলের ব্যবস্থা ও অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপনের অনুরোধ জানান।
পরে সভা শেষে জেলার বিভিন্ন স্থানে করোনা প্রতিরোধক বুথ, মাস্ক ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটেড প্রদান করেন তিনি। এছাড়াও কনসেন্ট্রেটর, ৬০টি করোনা প্রতিরোধক বুথ, এক লক্ষ মাস্ক, নগদ দেড় লক্ষ টাকা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য তিনশত গেঞ্জি ও ক্যাপ তুলে দেন তিনি।
জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সামগ্রী প্রদান করেন তিনি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নাটোর নওগাঁ সংরক্ষিত আসনের সাংসদ রত্না, আহমেদ পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, নাটোর জজ কোটের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, পৌর মেয়র উমা চৌধুরী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ কাজী মিজানুর রহমান, সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাঃ পরিতোষ রায় সহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এই করোনা প্রতিরোধক বুথ পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সামনে স্থাপন করা হবে। যাতে করে লোকজন সেখানে গিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করে নিয়ে পুরাতন মাস্ক ফেলে দিয়ে নতুন একটি মাস্ক পড়তে পারে। এমন বুথ স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সর্বস্তরের জনগণ।