এখন কী করবেন পুতিন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক জুন ২৫, ২০২৩, ০৫:০৪ পিএম
ফাইল ছবি

ঢাকাঃ ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহের পর ‘বিব্রতকর’ পরিস্থিতিতে পড়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অনেকে বলছেন, এতে করে পুতিনের  দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে।

শনিবার (২৪ জুন) ওয়াগনা প্রথম ইয়েভগিনি প্রিগোজিন যখন ইউক্রেন থেকে ২৫ হাজার সেনা নিয়ে রোস্তোভে প্রবেশ করেন এবং নিজ সেনাদের মস্কোর দিকে পাঠান—  তখন জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে প্রিগোজিনকে বিদ্রোহ বন্ধ করার আহ্বান জানান পুতিন। তবে তার ওই আহ্বান তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন প্রিগোজিন। পরবর্তীতে বেলারুশের প্রেসিডেন্টের মধ্যস্থতায় বিদ্রোহ থামান তিনি।

 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, পুতিন এখন নিজেকে ক্ষমতাবান ও শক্তিশালী প্রমাণের জন্য কিছু পদক্ষেপ নেবেন। যখনই কেউ তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তখনই এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন তিনি। এবারও এমন কিছুই হবে।

সেটি হতে পারে— তিনি ইন্টারনেট স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করবেন, এমনকি সংবাদমাধ্যমের ওপর আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করবেন, যার মধ্যে জনবহুল টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোও থাকবে। যেগুলোতে যুদ্ধ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য দেওয়া হয়।

অথবা ক্ষমতা দেখাতে পুতিন ইউক্রেনের ওপর নতুন করে বড় হামলার নির্দেশ দেবেন। আবার একসঙ্গে দুটিই করতে পারেন তিনি।


বিবিসি জানিয়েছে, ওয়াগনারের এ বিদ্রোহ থেকে একটি জিনিস পরিষ্কার— যদি আগামী সপ্তাহে ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের দখলকৃত স্থানে রুশ সেনাদের হটিয়ে দিতে পারে বা তাদের তৈরি করা দুর্গ ভেদ করতে পারে— তাহলে এর দায় ওয়াগনারের ওপর চাপাবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তারা বলবে, ওয়াগনারের বিদ্রোহের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইউক্রেন সফলতা পেয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

এমআইসি