যশোরঃ জেলার বেনাপোলের আমড়াখালি চেকপোস্ট এলাকা থেকে ১০টি স্বর্ণেরবারসহ সুমন মিয়া (৩০) নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি।
সোমবার (১৭ মে) সকালে বিজিবি সদস্যরা বেনাপোলগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশীকালে সুমন মিয়াকে আটক করে। ভারতে পাচারের জন্য এক কেজি ১৬৬ গ্রাম ওজনের ওই ১০টি স্বর্ণবার নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। আটক স্বর্ণপাচারকারী সুমন মিয়া বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী সাদীপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার মিয়ার ছেলে।
বিজিবি জানায়, তাদের কাছে গোপন খবর আসে সীমান্ত পথে একটি স্বর্ণ চালান ভারতে পাচার হবে। এরপর বিজিবি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে।
আমড়াখালী বিজিবি চেকপোষ্টে কর্মরত হাবিলদার মো: নুরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে বিজিবি‘র একটি দল নাভারন থেকে বেনাপোলমুখি একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে যাত্রী সুমন মিয়ার শরীর তল্লাশী করে। এ সময় অভিনব কায়দায় আসামীর প্যান্টের কোমরের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় বাধা ১০টি স্বর্ণের বার (১.১৬৬ কেজি) উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য ৬৭ লাখ টাকা। আটক সুমন মিয়া এ স্বর্ণবার ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেনাপোল সীমান্তে নিয়ে যাচ্ছিলো বলে জানান। বিজিবি আরো জানায়, তার সাথে আরো একজন ছিল সে পালিয়ে যায়। তার নাম কামরুল ইসলাম (৩২) একই গ্রামের আবু সাঈদ এর ছেলে।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল সেলিম রেজা আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্বর্ণ পাচারকারী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করার প্রস্তুুতি চলছে।
উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতি কোভিড-১৯ এর মধ্যেও ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন গত ২০২০ সালে ১৩ জন আসামীসহ ৪১.৭২২ কেজি স্বর্ণ, ও ২০২১ সালে ৫জন আসামীসহ ৭.৩০৩ কেজি স্বর্ণসহ সর্বমোট ৪৯.০২৫ কেজি স্বর্ণ এবং আসামী ১৮ জন স্বর্ণপাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। যার মূল্য বাংলাদেশী টাকায় ৩২ কোটি ৯০ লাখ ৬২ হাজার ৩৪০ টাকা।