ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলার বিজয়নগরে স্বামীর সাথে অভিমান করে রুনা আখতার (২০) নামের এক গৃহবধূ কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই গৃহবধূ মারা যায়৷
নিহত রুনা বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের শানু মিয়ের দ্বিতীয় মেয়ে।
নিহতের ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, আড়াই বছর আগে তার বোন রুনাকে পারিবারিক ভাবে চান্দুরার রসুলপুর গ্রামের ফকিরবাড়ির মৃত মোবারক মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে আলমগীর শেখের সাথে কাবিননামা ছাড়ায় বিয়ে দেন। বিয়ের পর থেকে সাংসারিক জীবনে তেমন ঝামেলা না হলে গত কয়েকমাস যাবত রুনাকে শ্বশুর বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা এনে দিতে চাপ দিতেন আলমগীর এবং বিভিন্ন মেয়েদের সাথে আলমগীরের পরকিয়া সম্পর্ক আছে বলে রুনা জেনে যায়। এসব বিষয় নিয়ে রুনার সাথে একাধিকবার তর্কাতর্কি হয় আলমগীরের। তারপর থেকে রুনার সাথে আলমগীর যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
আজকে সকালে এ বিষয়ে নজরুল তার বোনের সাথে কথা বললে সে জানায় টাকা-পয়সার জন্য চাপ প্রয়োগ করতো আলমগীর। তাই রুনা এসব সহ্য না করতে পেরে আজকে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিয়েছিল। তার বোনের মৃত্যুর জন্য আলমগীরকে দায়ী করেন। পরিবারের সবার ফাঁসির দাবি জানান।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে জানতে পারি, স্বামীর সাথে তর্কাতর্কি নিয়ে পোঁকা মারার ট্যাবলেট খেয়ে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে৷ পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনী ব্যবস্থা নিবো।
আগামীনিউজ/মালেক